ঢাকা ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের ভোলায় যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গু‌লিসহ আটক ২ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব ঢাকার দুইটি আসন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ: সেনাবাহিনী আওয়ামী দোসর সাজ্জাদ মুহুরী সেচ প্রকল্পের টাকা লুটেপুটে কোটিপতি বোরকা পরে জাল ভোট দেওয়ার পাঁয়তারা করছে জামায়াত: মাহদী আমিন মালয়েশিয়ায় ক্রেনচাপায় বাংলাদেশি নিহত রাজনীতিকে পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি : জামায়াত আমির বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ: তারেক রহমান

প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ নভেম্বর, ২০২৫,  12:04 PM

news image

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে তিন মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেছেন।  প্লট দুর্নীতির এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে করা পৃথক তিন মামলার রায় পাঠ চলছে আজ। শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন। তিন মামলায় তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি প্লট অবৈধভাবে গ্রহণ, জালিয়াতি ও সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি, যেখানে শেখ হাসিনাসহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে চার্জশিটে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পুরবী গোলদার, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। দ্বিতীয় মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১৭ জনকে চার্জশিটভুক্ত করা হয়। এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম সরকার, পুরবী গোলদার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার, আনিছুর রহমান মিঞা, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। আর তৃতীয় মামলায় শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি, অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ নেওয়া ও সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম