ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সন্ধ্যায় পডকাস্টে আগামীর বাংলাদেশের রোডম্যাপ শোনাবেন তারেক রহমান এক লাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, ভাঙল সব রেকর্ড জামায়াত আমিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ গণভোট প্রচারে ছয় মন্ত্রণালয় নিচ্ছে ১৪০ কোটি টাকা এনআইডি নিয়ে স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রির অভিযোগ, জামায়াত সমর্থককে জরিমানা আশা নিয়ে ছুটিতে গেলেন ফিল সিমন্স ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের রেকর্ড দাম ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী ব্রাজিল

পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ নভেম্বর, ২০২১,  2:39 PM

news image

৪২৯ কোটি অবৈধ সম্পদের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি পিকে হালদারসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১০ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন আদালতে চার্জশিট জমা দেবেন বলে জানা গেছে। অনুমোদিত চার্জশিটে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশটিতে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগেও রয়েছে তার। চার্জশিটে প্রশান্ত কুমার হালদার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- প্রশান্ত কুমার হালদারের মা লিলাবতী হালদার, অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি। এর আগে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। চার্জশিটে এবার আসামির সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতায় এখন পর্যন্ত ৮৩ ব্যক্তির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে ফ্রিজ করেছে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রশান্ত কুমার হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উক্ত অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম