ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ৪০ কর্মকর্তা ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিলে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে: সালাহউদ্দিন রাজশাহীতে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান ৭১ নিয়ে আগে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল আমরা আর কাউকেই টানাটানি করার সুযোগ দেব না: জামায়াত আমির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি বঙ্গোপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী কায়দায় অপপ্রচার চলছে: মাহদী আমিন

পাকিস্তানের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৩ এপ্রিল, ২০২২,  3:12 PM

news image

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পরামর্শে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। পাকিস্তানের জিও টিভি জানিয়েছে, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করেছে প্রেসিডেন্ট অফিস। তাতে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে রোববার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দেন দেশটির জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাশিম খান সুরি। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশনও মুলতবি করেন পাকিস্তানের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবে রোববার ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ১ ঘণ্টারও বেশি সময় দেরিতে শুরু হয় অধিবেশন। অনাস্থা প্রস্তাবকে অসাংবিধানিক উল্লেখ করে সরাসরি তা খারিজ করে দেন ডেপুটি স্পিকার।

আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত অধিবেশন স্থগিত করে দেন তিনি। অনাস্থা প্রস্তাব খারিজের পর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেন, ‘বিরোধীদলের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। এখন নতুন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। জনগণই ঠিক করবে, তারা কার হাতে দেশের দায়িত্বভার দিতে চায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। পাকিস্তান একটি গণতান্ত্রিক দেশ। জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হোক, তারা কাকে বেছে নিতে চান। বিদেশি ষড়যন্ত্রকে কিছুতেই সফল হতে দেব না আমরা।’ গত ৮ মার্চ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয় বিরোধীদলগুলো। ওই প্রস্তাবের ওপর পরের ৯ মার্চ ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাতীয় পরিষদের এক জন সদস্যের মৃত্যুর কারণে ২৮ মার্চ পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবির ঘোষণা দেন স্পিকার আসাদ কায়সার। এরপর ২৮ মার্চ জাতীয় পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর ৩১ মার্চ পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি করেন ডেপুটি স্পিকার কাশিম খান সুরি। তবে পূর্ব নির্ধারিত ৩১ মার্চ অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার তা ৩ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত রাখেন। অনাস্থা প্রস্তাব আনার পর ইমরান খান বারবার বলেছিলেন, ‘পরিস্থিতি যাই হোক, আমি পদত্যাগ করব না। আমি শেষ বল পর্যন্ত খেলব। আমি অনাস্থা ভোটের একদিন আগে তাদের চমকে দেব।’ ৩৪২ সদস্যের জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ইমরান খানকে ১৭২ জনের সমর্থন প্রয়োজন ছিল। তার দল পিটিআইয়ের সদস্য সংখ্যা ১৫৫। তবে দলের কয়েকজন সদস্য এবং জোট শরীকরা ইমরানের পক্ষ ত্যাগ করায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে হয় তাকে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম