ঢাকা ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ইলিশ ধরা ও ক্রয়-বিক্রয়ে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের পৃথক ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইয়েমেনে সংঘাতে বাড়ছে হতাহত, বাস্তুচ্যুত ১ লাখ ২৫ হাজার হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু সাতক্ষীরায় পটকা মাছ খেয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির ঘোষিত সময়সূচি চূড়ান্ত নয়: তথ্য উপদেষ্টা প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ সমস্যায় দুঃখ প্রকাশ ওজোপাডিকোর একদিনের ছুটি নিতে পারলেই একটানা মিলবে ৫ দিনের ছুটি

পরীক্ষা কক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে ৪ শিক্ষার্থী আহত

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২০ জুন, ২০২৩,  8:13 PM

news image

মাদারীপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (২০ জুন) সকালে সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কলাগাছিয়া এসিনর্থ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীরা হচ্ছে দশম শ্রেণির কমার্স শাখার হিরামনী, মুনা আক্তার, ইরিনা আক্তার ও সাইমা জাহান। শিক্ষার্থীরা বলে, আমাদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০ মিনিট আগে ঘণ্টা দিলে আমরা পরীক্ষার কক্ষে গিয়ে বসি। তখন হঠাৎ বিকট শব্দে আমাদের ওপর সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে। এতে চার-পাঁচজন ছাত্রী আহত হয়েছে। তাৎক্ষণিক আহতদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে হীরামনী বেশি অসুস্থ। এতে তার কপালে সেলাই লেগেছে। অন্যরা হাতে ও পিঠে আঘাত পেয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আহত শিক্ষার্থী হিরামনীর নানা সামচুল হক মোল্লা বলেন, আমার নাতি খুবই অসুস্থ। তার কপালে আঘাত লেগেছে। একটি বেসরকারি স্কুলের ফ্যান খুলে পড়ে শিক্ষার্থী আহত হবে, এটা ভাবা যায়? আহত মুনার বাবা ইদ্রিস মাতুব্বর বলেন, আমার মেয়ে খুবই অসুস্থ। তার হাতে ও মাথায় অনেক আঘাত লেগেছে। আমি এটি মানতে পারছি না। এ ঘটনা শিক্ষকদের গাফিলতির কারণে ঘটেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শান্তি রঞ্জন মন্ডল বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০ মিনিট আগে ঘণ্টা দেওয়া হয়। তারপর শিক্ষার্থীরা ক্লাসে প্রবেশ করেন। এর কিছুক্ষণ পরে তাদের ওপর ফ্যান পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। এখন তাদের কী অবস্থা সেটা আমি জানি না। এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এখন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম