ঢাকা ১৫ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
যৌন নির্যাতন মামলা : ট্রাম্পের আবেদন নাকচ করে দিলেন সর্বোচ্চ আদালত দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ত্রুটি, চার শিক্ষককে শোকজ ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলনের মাঝেই আজ ১০ বোর্ডে চলছে পরীক্ষা, বিকেলে হবে লংমার্চ বাড্ডায় সাবেক স্বামীর হামলায় প্রাণ গেল নারীর সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৭ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা ৪৭ সেকেন্ডের লাল কার্ডে ২১ বছরের অপেক্ষা, অবশেষে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

নৌকা মার্কায় ভোট দিলে উন্নয়ন হয়, মানুষের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন হয় : প্রধানমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ আগস্ট, ২০২৩,  5:14 PM

news image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যতদিন সরকারে ছিল রংপুরে কখনও মঙ্গা হয়নি। খাদ্যের অভাব দেখা দেয়নি। দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারে আসলে ও নৌকা মার্কায় ভোট দিলে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়। সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। বুধবার (২ আগস্ট) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমারা প্রত্যেক এলাকায় উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। নারীদের জন্য কাজের সুবিধা করে দিয়েছি। আমাদের কাজের লক্ষ্য দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করা, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নতি করা। এ অঞ্চলে জীবনেও দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে না, মঙ্গা দেখা দেবে না। বাংলাদেশে কোনো ভূমিহীন মানুষ থাকবে না। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তায়নও করব। সরকার প্রধান বলেন, সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি। কয়লার দাম ও গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ নিয়ে কয়েক দিন কষ্ট হয়েছে। এরপর এখন ঠিক হয়ে গেছে। বিদ্যুতের আর কোনো সমস্যা থাকবে না। তিনি বলেন, আমি খালি হাতে আসিনি। আপনাদের জন্য উপহার নিয়ে এসেছি। কতগুলো প্রকল্প উদ্বোধন করেছি, যাতে প্রত্যেকটা উন্নয়ন তরান্বিত হয় তার ব্যবস্থা করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিলে উন্নয়ন হয়, মানুষের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন হয়। একমাত্র নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আসলেই মানুষের উন্নতি হয়। কাজেই নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও আমাদেরকে কাজের সুযোগ করে দেবেন সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। ২০৪১ সালে মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত দেশ রেখে যাব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বা, মা, ভাই হারিয়েছি, আমার হারাবার কিছু নেই। বাংলাদেশের জনগণই আমার পরিবার আমার সংসার। জনগণের জন্যই কাজ করে যেতে চাই। এর আগে দুপুর ২টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি রংপুর সেনানিবাস হেলিপ্যাডে পৌঁছায়। এরপর সড়কপথে সার্কিট হাউজে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সভায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জনসভার কার্যক্রম। রংপুরের ঐতিহাসিক জিলা স্কুল মাঠ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় ভরে যায়। মাঠ ছাড়িয়ে প্রধান সড়কের দুদিকে অবস্থান নেন বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা। নানা রঙের পোশাক আর বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে গান গেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ রংপুরে এসেছিলেন ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর। এ সময় তিনি রংপুরের পীরগঞ্জ ও তারাগঞ্জে দুটি নির্বাচনী জনসভা করেন। এর আগে ২০১১ সালের ৮ জানুয়ারি রংপুর জিলা স্কুল মাঠে মহাজোটের জনসভায় উন্নয়নের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম