ঢাকা ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আমি কথা কম বলি কাজ বেশি করি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী সকলে মিলে সুন্দর সাতক্ষীরা গড়ে তুলবো: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি মা হারালেন ক্রিকেটার শেখ মেহেদী বিসিবি'র প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পেলেন হাবিবুল বাশার নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৪ জনের যাবজ্জীবন দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেবো না: শিক্ষামন্ত্রী ১৪ এপ্রিলের আগেই বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন সচিবালয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে চুরি-ছিনতাই রোধে যে পদক্ষেপ নিচ্ছেন ববি হাজ্জাজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৪ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  2:58 PM

news image

জোরপূর্বক নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) সাজার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অপর তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণী তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদ এলাকায় ময়দার মিল সংলগ্ন নৌকা ঘাটে বেড়াতে যান। এক পর্যায়ে বান্ধবী চলে গেলে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তোলে। নৌকাটি বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে মাঝিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর নৌকার মধ্যেই পালাক্রমে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা-মা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি নিজেই থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার তৎকালীন এসআই শফিকুল ইসলাম শিকদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালতে মোট আটজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম