ঢাকা ২১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অনুমতি না নিয়েই গাছ কর্তন, টেন্ডার ছাড়াই প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা সুখী-সমৃদ্ধ কল্যাণমুখী নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে: মির্জা ফখরুল চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৭ বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: ড. ইউনূসসহ ২৭ জনের নামে মামলার আবেদন নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে, মত দিল আইন মন্ত্রণালয় কলকাতায় হোটেলে আগুন: ইজারাদারসহ গ্রেপ্তার ৩

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জানুয়ারি, ২০২৬,  12:26 PM

news image

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে সরকার। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনীহা, অসহযোগিতা বা শৈথিল্য প্রদর্শন করলে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে এই নির্দেশনা সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ তাদের আওতাধীন সব অধিদপ্তর, দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সই করা এই পরিপত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার এবং ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিপুল সংখ্যক শিক্ষক এবং সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিপত্রে বলা হয়েছে, নিয়োগপত্র পাওয়ার পর বা নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত হওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ‘নির্বাচন কর্মকর্তা’ হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নিকট দায়ী থাকবেন। দায়িত্ব পালনে অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য বা ভুল তথ্য প্রদানকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ১৯৯১ সালের আইনের ৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী দোষী সাব্যস্ত হলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের একটি বড় অংশ প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-১) মো. খালিদ হোসেন জানান, গত ৯ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের সব অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), মাউশি, নায়েম, ব্যানবেইস, এনটিআরসিএ এবং এনসিটিবিসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে এ বিষয়ে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটকে প্রশ্নাতীত করতে চায়। তাই নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সততা, নিষ্ঠা ও সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। এই জাতীয় দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না বলেও পরিপত্রে সতর্ক করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম