ঢাকা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ভ্যানচালকসহ নিহত ২ ৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্পিকার ও পররাষ্ট্রসচিব রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ সিইসি এমপিদের, রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন: আইন উপদেষ্টা নওগাঁয় খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস বিক্রি, তোপের মুখে পালালো কসাই শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হককে ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী কলাবাগানে মেয়ের পরিবারের ধাওয়ায় ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ সংস্কারের পর যমুনায় উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

নির্ঘুম রাত কাটছে তিস্তা পারের বাসিন্দাদের

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৭ জুলাই, ২০২৪,  3:53 PM

news image

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এতে তিস্তা ও ধরলা নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় তিস্তার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয় ৫১.৯১ মিটার। যা বিপৎসীমা মাত্র ২৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা পানি এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে এ বছর দুইবার স্বল্প মেয়াদী বন্যার ভোগান্তিতে পড়ল তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। জানা গেছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার পাচ উপজেলার অন্তত ১০ হাজার পরিবার। এসব এলাকায় তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত, রাস্তাঘাট। বিদ্যালয়গুলোতে পানি থাকায় বন্ধ রয়েছে শিক্ষা কার্যক্রমও। এছাড়া বাড়িঘরে পানি থাকায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন পানিবন্দি মানুষরা। দফায় দফায় তিস্তার পানি হ্রাস-বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের। লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা এলাকার মজমুল হক (৪০) বলেন, গত তিনদিন ধরে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। এতে রান্না করা ও চলাচলসহ সকল কাজে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমনকি বাড়িতে পানি থাকায় ঘুমও হয় না। একই এলাকারমল হাওয়া বেগম (৩০) বলেন, বাড়িঘরে পানি থাকায় রান্না ও খাবার পানি পাওয়া যাচ্ছে না। দুইটি বাচ্চা ও গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপাকে কাটছে দিন। এছাড়া রাতের বেলা সাপের উৎপাত শুরু হয়েছে। ভয়ে ঘুম হয় না। জেলার সদর উপজেলার কালমাটি পাকারমাথার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৪৫) বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বেড়ে রাস্তা তলিয়ে আছে। বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। পানি কমে গেলে আবার নদীর ভাঙন শুরু হবে। নদীপারের মানুষ আমরা খুবই কষ্টে রয়েছি। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় বলেন, গত বছর ভারতের সিকিমের বাঁধ ভেঙে পানির সঙ্গে পলি এসেছে। তিস্তার পানি ধারণ ক্ষমতা কমে এসেছে। পানি আবার কমে গেলে ভাঙন শুরু হবে। ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শন করেছি। জেলা প্রশাসনের নিকট পর্যাপ্ত বরাদ্দ রয়েছে। দুর্ভোগে থাকা মানুষজনকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া শুকনো খাবারও বিতরণ করা হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম