দেশে অবৈধ রিসোর্টের ছড়াছড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অক্টোবর, ২০২৬, 11:29 AM
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অক্টোবর, ২০২৬, 11:29 AM
দেশে অবৈধ রিসোর্টের ছড়াছড়ি
নেই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব
পরিবেশগত ছাড়পত্র, ফায়ার লাইসেন্স এবং স্থানীয় প্রশাসনের বৈধ অনুমোদন ছাড়াই সারা দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে হাজারো অবৈধ রিসোর্ট ও কটেজ। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাহাড় কেটে, বনাঞ্চল উজাড় করে এবং নদী-জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা এসব বাণিজ্যিক স্থাপনা এখন দেশের পর্যটন খাতের জন্য বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় ও জমকালো প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে আছে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও পরিবেশ ধ্বংসের এক ভয়ংকর মহোৎসব। কক্সবাজারে অনুমোদনহীন টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১০ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাটি দেশের পর্যটন খাতের অন্ধকার দিকটি উন্মোচন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধিদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে সারা দেশের অবৈধ রিসোর্ট বাণিজ্যের ভয়ংকর চিত্র। পর্যটন এলাকার অধিকাংশ রিসোর্টের কোনো ফায়ার লাইসেন্স নেই, নেই জরুরি বহির্গমন পথ বা অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা। কাঠ এবং বাঁশ দিয়ে তৈরি করা এসব নান্দনিক রিসোর্টে যেন মৃত্যুদূতের বাস। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজারে অনুমোদন ছাড়াই চলছে সাত শতাধিক হোটেল-রিসোর্ট। বান্দরবানের পাঁচ শতাধিক রিসোর্টের মধ্যে অনুমোদন রয়েছে মাত্র ৭৯টির। রাঙামাটিতে ১০০টি রিসোর্টের মধ্যে ৭০টি অবৈধ। খাগড়াছড়িতে শতাধিক ইকো রিসোর্টের মধ্যে ফায়ার সার্টিফিকেট রয়েছে মাত্র চারটির। সুন্দরবনের কটেজগুলোর বেশির ভাগই অবৈধ। ইতোমধ্যে ১৮টি কটেজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গাজীপুরের অধিকাংশ রিসোর্টই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে। এই অঞ্চলের শতাধিক রিসোর্ট ঝুঁকিপূর্ণ। সাভারে অর্ধশতাধিক অবৈধ রিসোর্টের সন্ধান পাওয়া গেছে। পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, নেপাল, থাইল্যান্ড, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ইকো ও কমিউনিটি ট্যুরিজম বেশ জনপ্রিয় ও নিরাপদ বিবেচিত হলেও বাংলাদেশে এমন পর্যটন ধারণা এখনো আস্থা অর্জন করতে পারেনি। এখানে একদিকে যেমন খেয়ালখুশিমতো রিসোর্ট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে এসব রিসোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, পানি সংরক্ষণাগারের অভাব, অনিরাপদ বৈদ্যুতিক সংযোগসহ নানা ঘাটতি রয়েছে। আর তদারকি কর্তৃপক্ষ ও উদ্যোক্তাদের উদাসীনতায় তা পর্যটকদের সর্বনাশ ডেকে আনছে।
কক্সবাজার থেকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজার শহর ও কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ৮০ কিলোমিটার এলাকায় সাত শতাধিক হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ রয়েছে। যদিও জেলা প্রশাসন, মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, ৫০০-৬০০টি হোটেল-মোটেল-রিসোর্টের তথ্য রয়েছে। কয়েক বছর ধরে মেরিন ড্রাইভকে কেন্দ্র করে ইনানী, হিমছড়ি, পাটুয়ারটেকসহ গোটা মেরিন ড্রাইভে রিসোর্টকেন্দ্রিক ব্যবসা জমজমাট। কিন্তু যাচাইবাছাই করে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তর বেশির ভাগই এসবের কোনো ধরনের বৈধতা পায়নি। এসব প্রতিষ্ঠানকে নোটিস প্রদান করে সতর্ক করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এর মধ্যে আলোচিত টুপটুপ রিসোর্টেরও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছিল না। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, কক্সবাজারে ২০১৩ সালের মাস্টারপ্ল্যান সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সম্পন্ন হলে সবকিছু নিয়মে চলে আসবে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, টুপটুপ রিসোর্ট ছাড়াও দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে সতর্ক করে নোটিস দেওয়া হয়েছে আগেই। এসব প্রতিষ্ঠানের ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টসহ আড়াই শ প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ছাড়পত্র নেই। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, পর্যটনের উর্বর ভূমি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলা। বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজারের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য অবগাহনে ভিড় করেন পর্যটকরা। আর পর্যটকদের আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিতে এখানে অন্তত দেড় হাজার হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, হাউসবোট গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে গত এক দশকে পাহাড়ি এলাকা ও কক্সবাজারে গড়ে উঠেছে সাত শতাধিক ইকো রিসোর্ট। নামমাত্র আবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই খেয়ালখুশিমতো গড়ে তোলা এসব রিসোর্ট এখন পর্যটকদের আতঙ্কের কারণ। বান্দরবান জেলা হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, শুধু বান্দরবানেই পাঁচ শতাধিক রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসনের অনুমোদন আছে মাত্র ৭৯টির, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন আছে ৩২টির, ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র আছে ৬০টি হোটেল-রিসোর্টের। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অথবা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে নামমাত্র আবেদন দিয়ে এসব রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই বছরের পর বছর এসব রিসোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। এসব সংস্থার পক্ষ থেকে নোটিসসহ নানাভাবে সতর্ক করলেও রিসোর্টের মালিকরা এর তোয়াক্কা করেন না। আবার আইনগত, আঞ্চলিক ও স্থানীয় নানা সীমাবদ্ধতায় সরাসরি রিসোর্টও বন্ধ করা যায় না।
রাঙামাটি পর্যটনশিল্প সমবায় সমিতির তথ্যমতে, এই জেলায় শহর ও আশপাশে ৬০টি হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। ইকো রিসোর্ট আছে ১০টি। এ ছাড়া কাপ্তাই থেকে আসামবস্তি পর্যন্ত লেকের কোলঘেঁষে আরও ১০টি ইকো রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া কাপ্তাই লেকে ১৫টির মতো হাউসবোট আছে। এর মধ্যে কেবল ৩০টি সমিতির তালিকাভুক্ত। অনুমোদনহীন কিংবা দালিলিক জটিলতা আছে এমন রিসোর্টগুলো সমিতির তালিকাভুক্ত নয়।
২০১৭ সালের পর থেকে এই পর্যন্ত সেখানে অন্তত পাঁচবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত ৩০টি রিসোর্ট আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে দ্রুত সময়ে পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়ায় হতাহতের ঘটনা কম হয়।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, পার্বত্য আরেক জেলা খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, এই জেলায় ৪২টি আবাসিক হোটেল পরিচালিত হচ্ছে। আর ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নবায়ন করেছে মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান।
সাতক্ষীরা থেকে প্রতিনিধি জানান, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের কোলঘেঁষে সাতক্ষীরায় গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা ও ফায়ার সেফটি প্ল্যান্ট না থাকায় মারাত্মক নিরাপত্তাঝুঁকিতে পড়েছেন দূরদূরান্ত ও দেশবিদেশ থেকে আসা পর্যটকরা। জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, পরিবেশবান্ধব পর্যটনের নামে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেরই নেই বৈধ ফায়ার লাইসেন্স, জরুরি বিকল্প সিঁড়ি কিংবা অগ্নিকান্ড মোকাবিলার দক্ষ জনবল। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে অবস্থিত সুন্দরবন ঘেঁষা সুশীলন রিসোর্টের লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও তা নবায়ন করা হয়নি, অন্যদিকে বর্ষা রিসোর্টে নেই কোনো সেফটি প্ল্যান। একই ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে তালা উপজেলার ত্রিশমাইল এলাকায় অবস্থিত উন্নয়ন সংস্থা অগ্রগতি রিসোর্ট, তালার উত্তরণসহ অন্যান্য অবকাশকেন্দ্রগুলো।
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় বর্তমানে ৩০০টিরও বেশি হোটেল-মোটেল রয়েছে। এর অধিকাংশই অবৈধ।
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি জানান, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাহাড়-টিলায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে রিসোর্ট-কটেজ। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে উপজেলার রাধানগর, বিষামনী, ডলুছড়া, দিলবরনগড়, বেগুনবাড়ী, মহাজীরাবাদ এলাকায় নির্বিচারে পাহাড়-টিলা কেটে ও বনাঞ্চল ধ্বংস করে অর্ধশতাধিক রিসোর্ট-কটেজ নির্মাণ করা হয়েছে। এসব এলাকায় বর্তমানে আরও অনেকগুলো রিসোর্ট-কটেজ নির্মাণের কাজ চলমান। ১০০ রিসোর্টের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধ। এসব রিসোর্টের নকশা অনুমোদনও করা হয়নি। সরকারি নিয়মনীতি না মেনে একের পর এক রিসোর্ট-কটেজ গড়ে ওঠায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশবিদরা। আর অপরিকল্পিতভাবে এসব রিসোর্ট-কটেজ নির্মাণ করায় হুমকিতে পড়েছে প্রাণপ্রকৃতি। ভারসাম্যহীন হয়ে পরছে পরিবেশ। বন্যপ্রাণীরা হারাচ্ছে আবাসস্থল। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় অনেক রিসোর্টে ঘটছে অনৈতিক ও অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। টঙ্গী থেকে প্রতিনিধি জানান, গাজীপুর জেলায় বর্তমানে ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় এক শ রিসোর্ট রয়েছে। এর মধ্যে অনেক রিসোর্টে নেই ফায়ার লাইসেন্স, নেই সেফটি প্ল্যান। নেই সঠিক ব্যবস্থাপনা, যার ফলে অধিকাংশ রিসোর্ট অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি নিয়ননীতির তোয়াক্কা না করে রিসোর্ট ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। আর এসব রিসোর্টে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে অসংখ্য। মাঝেমধ্যে পুলিশি অভিযান চললেও তা আবার নীরব হয়ে যায় সবকিছু। ট্যুরিস্ট পুলিশের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজীপুর জেলায় বর্তমানে ছোটবড় মিলিয়ে মোট ৭৮টি রিসোর্ট রয়েছে। বিগত কয়েক বছরে ঢাকার কাছাকাছি সবুজে ঘেরা এই অঞ্চলে বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুতগতিতে এই রিসোর্টগুলো গড়ে উঠেছে। তবে এই রিসোর্টের মধ্যে মানসম্মত সুযোগসুবিধা ও আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট রয়েছে মাত্র ১০ থেকে ১৫টি। বাকি রিসোর্টগুলোর বেশির ভাগেই সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব এবং নেই ফায়ার লাইসেন্স, নেই সেফটি প্ল্যান। সাভার প্রতিনিধি জানান, সাভারের ফায়ার লাইসেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে অর্ধশতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট। প্রশাসনিক তদারকির অভাবে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকিতে পর্যটকরা। জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির তথ্যমতে, ছোটবড় মিলিয়ে সাভার ও আশুলিয়ার এবং ধামরাই রিসোর্ট আটলান্টিস আশুলিয়ার জামগড়ায় ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্সের ভিতরে অবস্থিত। বর্ণচ্ছটা রিসোর্ট আশুলিয়ার জিরাব এলাকায় অবস্থিত। মমতা পল্লি রিসোর্ট এটিও আশুলিয়ার জিরাব বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত। সাফায়ার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট আশুলিয়ার দক্ষিণ গৌরীপুর এলাকায় অবস্থিত। আর্ক ক্যাসল রিসোর্ট আশুলিয়া মডেল টাউনের উত্তর দত্তপাড়ায় অবস্থিত।
বিসিডিএম সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত ব্র্যাকের একটি বিশাল ও দৃষ্টিনন্দন রিসোর্ট ও ট্রেনিং সেন্টার। ইডেন গার্ডেন রিসোর্ট সাভারের সিন্দুরিয়া এলাকায় অবস্থিত আরেকটি চমৎকার রিসোর্ট। পালমাইরা রিসোর্ট সাভারের গেরুয়া রোডে অবস্থিত। ব্র্যাক-সিডিএম সাভারে বিরুলিয়ার খাগান, আশুলিয়ার জামগড়া রিসোর্ট আটলান্টিস ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স, মমতা পল্লি রিসোর্ট, আশুলিয়া দেওয়ান ইদ্রিস সড়ক, জিরাব পালমিরা রিসোর্ট সাভারের গেরুয়া, বর্ণচ্ছটা রিসোর্ট আশুলিয়া, ইয়ারপুর, জিরাব, রাজমহল রিসোর্ট আমিনবাজার-মধুমতি মডেল টাউন এলাকা, ছায়াবীথি রিসোর্ট, জিয়ন বুটিক রিসোর্ট মধুমতি মডেল টাউন, কৃষিবিদ রিসোর্ট সিরাজের টেক, সাভারের বিরুলিয়া, এর আশপাশে অধশতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এদের অধিকাংশ সংশ্লিষ্ট পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই ব্যবসা করছে। সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন