ঢাকা ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কুষ্টিয়ার বাজারে চালের কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চাইল দুদক এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেপালে বন্যায় সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা বালেন্দ্র শাহের নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি এবার ৬-০ গোলে হারল বাংলাদেশ নওগাঁয় প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ১৭৮৫ জন জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট ৭০০ শয্যায় উন্নীত পুলিশের ছয় শীর্ষ পদে রদবদল কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্টের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

দুই যমজ সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে মারার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২১ জানুয়ারি, ২০২৪,  9:36 PM

news image

মানসিক ভারসাম্যহীন এক মা নিজের যমজ সন্তানকে ‘চুবিয়ে’ হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২১ জানুয়ারি) ভোরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের উত্তরভাগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের উত্তরভাগ গ্রামের দুবাই প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার সন্তান। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহত যমজ শিশুর চাচা বাদশা মিয়া জানায়, সম্প্রতি বাচ্চু মিয়া দেশে এসেছেন। রোববার ভোরে তিনি ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী ও সন্তানদের ঘরে দেখতে না পেয়ে বাইরে আসেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে দেখতে পান ৪ বছর বয়সী ২ শিশু রাদিয়ান আহমদ ও রাইয়ান আহমদ বাড়ির পুকুরে ভাসছে।

দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুদের মৃত ঘোষণা করেন। বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী রিমা বেগম মানসিকভারসাম্যহীন। শিশু দুটিকে খেয়াল করতে না পারায় ডুবে মারা যায় বলেও জানান তিনি। তবে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী মাহমুদ বলছেন, শিশু দুটির মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মানসিকভারসাম্যহীন রিমা বেগম পুকুরে ফেলে দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, দুবাই প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার বড় ভাই বাদশা মিয়া ভোরের দিকে দেখতে পান তার ভাইয়ের স্ত্রী রিমা বেগমের ঘরের দরজা খোলা। ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার চার বছর বয়সের যমজ সন্তান রাদিয়ান ও রাইয়ান ঘরের বিছানায় নেই। সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে পুকুর ঘাটে গেলে শিশু দুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এতে তিনি চিৎকার করলে বাড়ির লোকজন জড়ো হন। পরে শিশু দুটিকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মা রিমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম