ঢাকা ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন ফুটবল দলকে ডিএনসিসি পক্ষথেকে সংবর্ধনা এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ অব্যবহৃত ২০০ ভবন হবে হাসপাতাল ও মাতৃসদন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের জনগণকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দেখাল ইরান ১৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ

দুই যমজ সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে মারার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২১ জানুয়ারি, ২০২৪,  3:36 PM

news image

মানসিক ভারসাম্যহীন এক মা নিজের যমজ সন্তানকে ‘চুবিয়ে’ হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২১ জানুয়ারি) ভোরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের উত্তরভাগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের উত্তরভাগ গ্রামের দুবাই প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার সন্তান। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহত যমজ শিশুর চাচা বাদশা মিয়া জানায়, সম্প্রতি বাচ্চু মিয়া দেশে এসেছেন। রোববার ভোরে তিনি ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী ও সন্তানদের ঘরে দেখতে না পেয়ে বাইরে আসেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে দেখতে পান ৪ বছর বয়সী ২ শিশু রাদিয়ান আহমদ ও রাইয়ান আহমদ বাড়ির পুকুরে ভাসছে।

দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুদের মৃত ঘোষণা করেন। বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী রিমা বেগম মানসিকভারসাম্যহীন। শিশু দুটিকে খেয়াল করতে না পারায় ডুবে মারা যায় বলেও জানান তিনি। তবে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী মাহমুদ বলছেন, শিশু দুটির মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মানসিকভারসাম্যহীন রিমা বেগম পুকুরে ফেলে দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, দুবাই প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার বড় ভাই বাদশা মিয়া ভোরের দিকে দেখতে পান তার ভাইয়ের স্ত্রী রিমা বেগমের ঘরের দরজা খোলা। ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার চার বছর বয়সের যমজ সন্তান রাদিয়ান ও রাইয়ান ঘরের বিছানায় নেই। সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে পুকুর ঘাটে গেলে শিশু দুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এতে তিনি চিৎকার করলে বাড়ির লোকজন জড়ো হন। পরে শিশু দুটিকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মা রিমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম