ঢাকা ২২ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ অব্যবহৃত ২০০ ভবন হবে হাসপাতাল ও মাতৃসদন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের জনগণকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দেখাল ইরান ১৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ বিশ্বকাপের আরও টিকিট ছাড়ছে ফিফা

দিনমজুর নুরুল হত্যায় ৯ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  12:57 PM

news image

জয়পুরহাট সদরের সোটাহার ধারকী এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দিনমজুর নুরুল হক (৬৬) হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এই রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার সোটাহার ধারকী গ্রামের মৃত ফরেজ উদ্দিনের ছেলে আঃ রউফ (৬৬), মোহাম্মদ আলীর ছেলে রুহুল আমিন (৪১), আঃ রউফের ছেলে আলী হোসেন (৩৩), খোকন হোসেন (৩১), মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন (৪৬), আক্তারুজ্জামানের ছেলে রোকন হোসেন (৩৩), বাবু হোসেন (৩১), মৃত আবু সাঈদের ছেলে মিজানুর রহমান (৫৬), মিজানুর রহমানের ছেলে সিরাজুল (৪১)। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ জানুয়ারি নুরুল হক হিচমী এলাকার আমান উল্লাহার জমিতে দিনমজুর হিসেবে ধান কাটছিলেন। আহসানউল্লাহর বিবদমান জমিতে ধান কাটার সময় আসামিরা নুরুলকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা নুরুলকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুরেই মৃত্যু হয় তার। এ ঘটনায়  নিহতের ছেলে মাছুম বাদী হয়ে ওই দিনই জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে জয়পুরহাট সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মমিনুল হক মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ  আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ আদালতের বিচারক এই রায় দেন। মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল পিপি, শামীমুল ইসলাম শামীম এপিপি, গকুল চন্দ্র মণ্ডল এপিপি। আর আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন হেনা কবির ও শাহানুর রহমান শাহিন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম