ঢাকা ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বসন্তের শুরুতেই সাতক্ষীরায় গাছে গাছে আমের মুকুল, বাম্পার ফলনের আশা কাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান ত্রয়োদশ সংসদের ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ উচ্চ ডিগ্রিধারী: টিআইবি সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫ বাংলাদেশি গাইবান্ধায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল কর্মীর আঙুল বিচ্ছিন্ন আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু চৌদ্দগ্রামে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে মিলল শিশুর মরদেহ মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব হলেন ড.নাসিমুল গনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

দিনমজুর নুরুল হত্যায় ৯ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  12:57 PM

news image

জয়পুরহাট সদরের সোটাহার ধারকী এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দিনমজুর নুরুল হক (৬৬) হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এই রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার সোটাহার ধারকী গ্রামের মৃত ফরেজ উদ্দিনের ছেলে আঃ রউফ (৬৬), মোহাম্মদ আলীর ছেলে রুহুল আমিন (৪১), আঃ রউফের ছেলে আলী হোসেন (৩৩), খোকন হোসেন (৩১), মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন (৪৬), আক্তারুজ্জামানের ছেলে রোকন হোসেন (৩৩), বাবু হোসেন (৩১), মৃত আবু সাঈদের ছেলে মিজানুর রহমান (৫৬), মিজানুর রহমানের ছেলে সিরাজুল (৪১)। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ জানুয়ারি নুরুল হক হিচমী এলাকার আমান উল্লাহার জমিতে দিনমজুর হিসেবে ধান কাটছিলেন। আহসানউল্লাহর বিবদমান জমিতে ধান কাটার সময় আসামিরা নুরুলকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা নুরুলকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুরেই মৃত্যু হয় তার। এ ঘটনায়  নিহতের ছেলে মাছুম বাদী হয়ে ওই দিনই জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে জয়পুরহাট সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মমিনুল হক মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ  আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ আদালতের বিচারক এই রায় দেন। মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল পিপি, শামীমুল ইসলাম শামীম এপিপি, গকুল চন্দ্র মণ্ডল এপিপি। আর আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন হেনা কবির ও শাহানুর রহমান শাহিন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম