ঢাকা ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট হবে: আসিফ নজরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে রুমিন ফারহানা এগিয়ে দীর্ঘ লাইনে ভোটারের ভিড় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু নারী ভোটারদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২, আহত ৩০ জাল ভোট দিলে যেসব শাস্তি হতে পারে জামায়াতের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়েই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে যাওয়ার পথে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিহত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে ফের শুনানি আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ নভেম্বর, ২০২৫,  11:01 AM

news image

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে চূড়ান্ত আপিল শুনানি সপ্তম দিনের মতো শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। ওই দিন শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ আজ বুধবার পর্যন্ত আদালত মুলতবি করেন।  মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তারও আগে পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। ১৯৯৬ সালে সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনী এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেন। এরপর ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ কয়েকটি বিষয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ৩০ জুন। একই বছরের ৩ জুলাই তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক ও এক ব্যক্তি আবেদন করেন। ওই রিভিউ আবেদন থেকে আপিল শুনানির জন্য গত ২৭ আগস্ট ‘লিভ টু আপিল’ মঞ্জুর করে ২১ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত। এদিকে গত ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম