ঢাকা ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
​নেছারাবাদে ৫০০ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আকস্মিক বিস্ফোরণে উড়ে গেল বাড়ির দরজা-জানালা, দগ্ধ বাবা-ছেলে হামের টিকা পেয়ে স্বস্তিতে অভিভাবকরা সরকার ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স দেবে: ডিএসসিসি প্রশাসক ‘৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত ’ কৃষক কার্ডে বছরে ২ হাজার টাকা প্রণোদনা পাবেন প্রান্তিক চাষিরা 'পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি' শুরু হবে ১ জুলাই সাবেক মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ দুর্ঘটনায় দুমড়েমুচড়ে গেল ঢাবির বাস, আহত ৮ দেশে সোনার দাম বাড়লো ভরিতে ২২১৬ টাকা

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের কাজ নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ জুলাই, ২০২৩,  4:11 PM

news image

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের কাজ নয়, আমাদের কাজ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ জনগণকে অবহিত করা। সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কে-৮০ ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। জাহিদ মালেক বলেন, মানুষের জ্বর বিভিন্ন কারণে হতে পারে, আমরা বলেছি জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করাতে। আপনারা জানেন আমরা সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ৫০ টাকা করে দিয়েছি। আমরা দেখছি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ঢাকা শহরে ডেঙ্গু রোগীর সঙ্গে সঙ্গে সারাদেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তিনি বলেন, আমাদের মূল কথা হলো ডেঙ্গু মশা কমাতে হবে, তাহলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে শুধু বর্ষা মৌসুমে নয়, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও বিভিন্ন পৌরসভায় মশা নিধনের কাজটি সারা বছর করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কেন কী কারণে তারা ধর্মঘট ডেকেছে সে বিষয়টি আমার জানা নেই, এ বিষয়ে আমি তেমন কিছু বলতে পারব না। দেশে বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বাড়ছে। এখন ধর্মঘটের সময় নয়। মানুষের সেবা, জীবন রক্ষা এবং চিকিৎসা সেবার এখন প্রয়োজন। সেটি বন্ধ করে দিয়ে আমরা ধর্মঘটে চলে গেলাম। এটি আমি সঠিকভাবে নিতে পারছি না। তারপরেও তাদের কী সমস্যা আছে, সেই সমস্যার যেন সমাধান হয় সে বিষয়ে আমরা চেষ্টা করব। নতুন ভর্তি হওয়া এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে যারা নতুন এমবিবিএসে ভর্তি হয়েছে আমি তাদেরকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। এখান থেকে যারা চিকিৎসক হয়ে বেরিয়ে যাবে তাদের ঢাকা মেডিকেলের সুনাম ধরে রাখতে হবে। এই সুনাম ধরে রাখার একমাত্র পন্থা হলো এখান থেকে ভালোভাবে শিক্ষা লাভ করা এবং এখান থেকে পাস করে বেরিয়ে যাওয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শফিকুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ডাক্তার মো. কামরুল হাসান প্রমুখ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম