ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

টাবুর সঙ্গে নাগার্জুনের ‘পরকীয়া’ নিয়ে যা বলেছিলেন স্ত্রী অমলা

#

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  11:31 AM

news image

অভিনেত্রী টাবু ও দক্ষিণী অভিনেতা নাগার্জুনের প্রেম বলিউডের বহু চর্চিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি। ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় রোম্যান্টিক কমেডি ঘরানার তেলুগু ছবি ‘আভিড়া মা আভিড়ে’। এই ছবির শুটিং করতে গিয়েই টাবুর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন নাগার্জুন।  তার আগে পরিচালক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গে টাবুর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। প্রথম স্ত্রী অভিনেত্রী দিব্যা ভারতী মারা যাওয়ার পরে টাবুকেই বিয়ে করবেন বলে ঠিক করেছিলেন সাজিদ। কিন্তু টাবু মন দিয়ে বসেন নাগার্জুনকে। সেই প্রেম এতটাই তীব্র যে মুম্বাই ছেড়ে সোজা হায়দরাবাদ চলে যান টাবু। শোনা যায়, হায়দরাবাদে নিজের বাড়ির কাছে টাবুর জন্য একটা বাড়িও কিনেছিলেন নাগার্জুন। কিন্তু সেই গভীর প্রেমও ১০ বছর পর ভেঙে যায়। টাবু চেয়েছিলেন নাগার্জুন তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে তাকে বিয়ে করুক। সে জন্য ১০ বছর অপেক্ষাও করেন তিনি। কিন্তু বছর দশেক অপেক্ষা করার পর টাবু বুঝতে পারেন, নাগার্জুনের পক্ষে বিবাহবিচ্ছেদ করা অসম্ভব। তাই সম্পর্ক ভেঙে মুম্বাই ফিরে আসেন অভিনেত্রী। সম্পর্ক ভাঙলেও নাগার্জুনকে মন থেকে মুছতে পারেননি টাবু। ‘কফি উইথ করন’-এ নাগার্জুনকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি বলেছিলেন, ‘‘জীবনে বহু প্রেমিক এসেছেন এবং গিয়েছেন। কিন্তু নাগার্জুন আমার অন্যতম কাছের মানুষ। আমার খুব ভাল বন্ধু।” টাবুর সঙ্গে স্বামীর সম্পর্কের গুঞ্জন চলাকালীন সে প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি নাগার্জুনের স্ত্রী অমলা। কিন্তু টাবু হায়দরাবাদ থেকে মুম্বাই ফিরে আসার পর অমলা প্রথম মুখ খুলেছিলেন। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে টাবুর যোগাযোগ আছে। ও যখনই মুম্বাই থেকে আসে আমাদের সঙ্গেই থাকে।” টাবুর স্বামীর চর্চিত সম্পর্ক নিয়ে অমলার মন্তব্য ছিল, “আমি জীবনে খুব সুখী। আমার সংসার মন্দিরের মতো। আমার স্বামীকে নিয়ে এ ধরনের কোনও চর্চাকে একেবারেই সমর্থন করি না। আমি চাই আমার সংসার এসব থেকে দূরে থাকুক।”

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম