ঢাকা ২০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

জাল দলিল করে জমি আত্মসাতের চেষ্টা মামলায় প্রতারক কারাগারে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  12:56 PM

news image

ভাই ও বোনদের ফাঁকি দিতে জাল দলিল করে বাবার জমি  আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন এক প্রতারক। এই ঘটনায় বোনের দায়ের করা মামলায় ওই প্রতারক ভাই এখন কারাগারে রয়েছেন। সে দামকুড়া উপজেলার কলার টিকর গ্রামের মরহুম আবু বাককার সিদ্দিকের ছেলে হাসান আলী। মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর দামকুড়া উপজেলার কলার টিকর গ্রামের মরহুম আবু বাককার সিদ্দিক পবা উপজেলার গোসাইপুর মৌজায় আর.এস ৯ ও ১০ নং খতিয়ানের ১৩৭, ১৩৮ ও ১০৭/১৬৩ নং দাগে মোট ২.১৫০০ একর ভিটা জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং ১১২৮৫, তারিখ ১৪/৭/১৯৬৪ ইং এবং দলিল নং ৮৭৫৮, তারিখ ১৩/৩/১৯৭২ ইং। তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় তার বড় ছেলে হাসান আলী বাবার সমস্ত জমিজমা দেখাশুনা করতেন।

১১/০১/২০১০ ইং তারিখে আবু বাককার সিদ্দিক এক স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ৭ মেয়ে ওয়ারিশ রেখে মারা যান। বাবার মুত্যুর পর হাসান আলী প্রতারণা করে ২.১৫০০ একর জমি বাবাকে দাতা দেখিয়ে ১৯/৯/১৯৮০ ইং তারিখে ২৪১৪৩ নম্বরের একটি জাল দলি তৈরি করেন। ভাই ও বোনদের ফাঁকি দিতেই এই জাল দলিল তৈরি করা হয়। এরপর গত ৯/৪/২০২১ ইং তারিখে ওই দলিল খারিজের জন্য পবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করেন হাসান আলী। যার খারিজ কেস নং ১৪৩১৪/৯-১/২০-২১। বিষয়টি জানার পর হাসান আলীর বোন (মামলার বাদী) ও ছোট ভাইয়েরা সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই দলিলের জাবেদা কপি সংগ্রহ করে তারা জানতে পারেন উক্ত ২৪১৪৩/১৯৮০ নং দলিলে দাতা মোসা: ফাতেমা বেওয়া ও মো: আব্দুল মজিদ এবং তাদের টিপ নম্বর ১৬৫৬৭ ও ১৬৫৬৮। কিন্তু বাদীর ভাইয়ের জাল দলিলে দাতার টিপ নম্বর ১৫৫১০ দেখানো হয়েছে। অথচ ১৫৫১০ নম্বরের টিপ সম্বলিত দলিলের নম্বর ২১৮১১/১৯৮০ এবং দাতা মোসা: আলিমুন্নেছা বিবি ও গ্রহিতা মো: আব্দুস সামাদ গাজী দিং এবং বিক্রীত সম্পত্তি পবা উপজেলার নেপালপাড়া মৌজাধীন। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী হাসান আলীর জন্ম তারিখ ২৫/১০/১৯৮২। অথচ তার বাবার দেওয়া ওই জাল দলিল সম্পাদনের তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯/৯/১৯৮০ ইং। কাজেই জন্মের আগে বাবার নিকট হতে জমি নেওয়া বাস্তবাতা বিবর্জিত এবং চরমভাবে প্রতারণার শামিল। আসামী হাসান আলী বাবার সম্পত্তি গ্রাস করার হীন উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি করে দন্ড বিধি ৪৬৫/৪৬৭/৪৭১ ধারায় অপরাধ করেছে মর্মে তার বড় বোন জান্নাতুন নেসা বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট আল মমিন বিল্লা জানান, এ মামলায় গত বুধবার আসামী হাসান আলী আদালতে  আত্মসমর্পন করে জামিনের জন্য আবেদন জানালে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম