ঢাকা ২১ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি ; আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ২৬ এপ্রিল থেকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ‘বৃষ্টি বলয়’ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেন্ডার ইস্যুতে ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালকের ওপর হামলা : র‍্যাব প্রশ্নফাঁস হয়নি, কঠোর নজরদারিতে চলবে পরবর্তী পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বামনায় ​স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস লেনদেন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং’ সভা ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, মন্ত্রণালয়ে চিঠি তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ হবে

জাল দলিল করে জমি আত্মসাতের চেষ্টা মামলায় প্রতারক কারাগারে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  12:56 PM

news image

ভাই ও বোনদের ফাঁকি দিতে জাল দলিল করে বাবার জমি  আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন এক প্রতারক। এই ঘটনায় বোনের দায়ের করা মামলায় ওই প্রতারক ভাই এখন কারাগারে রয়েছেন। সে দামকুড়া উপজেলার কলার টিকর গ্রামের মরহুম আবু বাককার সিদ্দিকের ছেলে হাসান আলী। মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর দামকুড়া উপজেলার কলার টিকর গ্রামের মরহুম আবু বাককার সিদ্দিক পবা উপজেলার গোসাইপুর মৌজায় আর.এস ৯ ও ১০ নং খতিয়ানের ১৩৭, ১৩৮ ও ১০৭/১৬৩ নং দাগে মোট ২.১৫০০ একর ভিটা জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং ১১২৮৫, তারিখ ১৪/৭/১৯৬৪ ইং এবং দলিল নং ৮৭৫৮, তারিখ ১৩/৩/১৯৭২ ইং। তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় তার বড় ছেলে হাসান আলী বাবার সমস্ত জমিজমা দেখাশুনা করতেন।

১১/০১/২০১০ ইং তারিখে আবু বাককার সিদ্দিক এক স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ৭ মেয়ে ওয়ারিশ রেখে মারা যান। বাবার মুত্যুর পর হাসান আলী প্রতারণা করে ২.১৫০০ একর জমি বাবাকে দাতা দেখিয়ে ১৯/৯/১৯৮০ ইং তারিখে ২৪১৪৩ নম্বরের একটি জাল দলি তৈরি করেন। ভাই ও বোনদের ফাঁকি দিতেই এই জাল দলিল তৈরি করা হয়। এরপর গত ৯/৪/২০২১ ইং তারিখে ওই দলিল খারিজের জন্য পবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করেন হাসান আলী। যার খারিজ কেস নং ১৪৩১৪/৯-১/২০-২১। বিষয়টি জানার পর হাসান আলীর বোন (মামলার বাদী) ও ছোট ভাইয়েরা সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই দলিলের জাবেদা কপি সংগ্রহ করে তারা জানতে পারেন উক্ত ২৪১৪৩/১৯৮০ নং দলিলে দাতা মোসা: ফাতেমা বেওয়া ও মো: আব্দুল মজিদ এবং তাদের টিপ নম্বর ১৬৫৬৭ ও ১৬৫৬৮। কিন্তু বাদীর ভাইয়ের জাল দলিলে দাতার টিপ নম্বর ১৫৫১০ দেখানো হয়েছে। অথচ ১৫৫১০ নম্বরের টিপ সম্বলিত দলিলের নম্বর ২১৮১১/১৯৮০ এবং দাতা মোসা: আলিমুন্নেছা বিবি ও গ্রহিতা মো: আব্দুস সামাদ গাজী দিং এবং বিক্রীত সম্পত্তি পবা উপজেলার নেপালপাড়া মৌজাধীন। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী হাসান আলীর জন্ম তারিখ ২৫/১০/১৯৮২। অথচ তার বাবার দেওয়া ওই জাল দলিল সম্পাদনের তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯/৯/১৯৮০ ইং। কাজেই জন্মের আগে বাবার নিকট হতে জমি নেওয়া বাস্তবাতা বিবর্জিত এবং চরমভাবে প্রতারণার শামিল। আসামী হাসান আলী বাবার সম্পত্তি গ্রাস করার হীন উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি করে দন্ড বিধি ৪৬৫/৪৬৭/৪৭১ ধারায় অপরাধ করেছে মর্মে তার বড় বোন জান্নাতুন নেসা বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট আল মমিন বিল্লা জানান, এ মামলায় গত বুধবার আসামী হাসান আলী আদালতে  আত্মসমর্পন করে জামিনের জন্য আবেদন জানালে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম