জাতীয়করণ বিবেচনায় ১৭ স্কুল-কলেজ, তথ্য চেয়েছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ নভেম্বর, ২০২৬, 11:33 AM
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ নভেম্বর, ২০২৬, 11:33 AM
জাতীয়করণ বিবেচনায় ১৭ স্কুল-কলেজ, তথ্য চেয়েছে সরকার
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৭টি বেসরকারি স্কুল ও কলেজ সরকারি করার সম্ভাবনা যাচাই করছে সরকার। এ জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, শিক্ষার্থী-শিক্ষক, জনসংখ্যা ও অ্যাকাডেমিক ফলাফলসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এখনো কোনো প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখা গত ৪ নভেম্বর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠি অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিবেচনাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. গাজীপুরের চান্দনায় চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
২. গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।
৩. গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কালিয়াকৈর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
৪. বগুড়ার শেরপুরে সীমাবাড়ী ভেতরা রজনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
৫. বগুড়ার ধুনটে ধুনট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
৬. দিনাজপুর সদরে দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়।
৭. নাটোরের নলডাঙ্গায় ডা. নাসির উদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়।
৮. বরিশালের উজিরপুরে শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
৯. সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে দিরাই উচ্চ বিদ্যালয়।
১০. ফরিদপুরের নগরকান্দায় লস্করদিয়া আজিজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়।
১১. গাজীপুরের শ্রীপুরে কাওরাইদ কালী নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়।
১২. গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পূর্ব কোটালীপাড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়।
১৩. গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বাটিকামারী উচ্চ বিদ্যালয়।
১৪. সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
১৫. সিলেটের বালাগঞ্জে কালীগঞ্জ এম ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয়।
১৬. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গোর্কণ সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
১৭. ঝিনাইদহ সদরে বিনাইদহ ওয়াজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়তন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সংখ্যা ও জনসংখ্যা, শিক্ষার্থীদের শ্রেণিভিত্তিক পরিসংখ্যান, শিক্ষকসংখ্যা এবং পাঁচ বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয়করণের প্রয়োজনীয়তা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলায় আগে কতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি হয়েছে, সেই তথ্যও দিতে বলা হয়েছে।
প্রাপ্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ, তালিকায় নাম থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সরকারি হওয়ার চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি।