ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারত নির্বাচনে মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না: রিজওয়ানা হাসান টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের উন্নতি জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীরা মুনাফেক: পার্থ বাংলাদেশের নির্বাচন নিজস্ব উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংকের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই: জামায়াত আমির যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেউ উসকানিমূলক কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে পা দেবেন না : মির্জা আব্বাস ৭ম গগণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের ১১ দফা নির্দেশনা দিলো এনটিআরসিএ

চীনে মরদেহ পোড়ানোর নির্দেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ নভেম্বর, ২০২৫,  10:50 AM

news image

মৃত্যুর পর মানুষকে কবর দেওয়ার পরিবর্তে দাহ বা পোড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার প্রতিবাদে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুইঝো প্রদেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।  গুইঝো চীনের দরিদ্র ও গ্রামীণ একটি প্রদেশ। এটি শেনজেন ও সাংহাইয়ের মতো বড় শহর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। গত সপ্তাহের শেষে স্থানীয় প্রশাসন ভূমি সংরক্ষণের জন্য বিকল্প এই সিদ্ধান্ত নিলে প্রদেশটির শিডং শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। চীনের অস্থিরতা পর্যবেক্ষণকারী ফ্রিডম হাউস সংগ্রহ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী একটি পুলিশের গাড়ি ঘিরে রেখেছে। এক গ্রামবাসী বলছেন, 'কমিউনিস্ট পার্টি যদি পূর্বপুরুষের কবর খুঁড়তে চায়, আগে গিয়ে শি জিনপিংয়ের পুরোনো কবর খুঁড়ে দেখুক।' মঙ্গলবার বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় সরকার বলছে, মরদেহ পোড়ানোর প্রচারমূলক নির্দেশনা ২০০৩ সালের একটি আইনের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। জমি সুরক্ষা করতে ও 'মিতব্যয়ী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পদ্ধতি' প্রচারে এ নিয়ম চালু করা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনে কবরস্থানে জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার নাগরিকদের সমুদ্রে সমাহিত করার মতো বিকল্প পদ্ধতিও বিবেচনা করতে উৎসাহ দিচ্ছে। তবে অনেক গ্রামীণ মানুষের জন্য প্রচলিত কবর দেওয়ার প্রথা তাদের সংস্কৃতির মূল অংশ। শিডং শহরের প্রশাসনিক জেলা জিফেং কাউন্টির এক গ্রামবাসী জানান, স্থানীয় কর্মকর্তাদের চাপে চলতি বছরের শুরুতে তার দাদাকে দাহ করতে বাধ্য করা হয়। তিনি বলেন, নির্দেশনা না মানলে তিন প্রজন্ম পর্যন্ত এর শাস্তি বয়ে বেড়ানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত চীন ৬৬১টি গ্রামীণ-বিক্ষোভ নথিভুক্ত করেছে। যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি। বেশিরভাগ বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক সংকট ও সংশ্লিষ্ট নানান বিষয়ে অসন্তোষ।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম