ঢাকা ০৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৫৫ লাখ উপকারভোগী প্রতিমাসে ১৫ টাকা দরে পাচ্ছে ৩০ কেজি চাল দাম বৃদ্ধির পার আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা দেশের সব ডিসির জন্য জরুরি নির্দেশনা ঘাটতি গ্যাসে বাড়তি লোডশেডিং ভয়াবহ গ্যাস সংকট চট্টগ্রামে সুদানের আদালতে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫ চমক আম্রপালি ব্যানানা ম্যাংগোর পোলাও এখন পাতে তোলাও দায় এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু ‘হরমুজ আর আগের অবস্থায় ফিরবে না’

চমক আম্রপালি ব্যানানা ম্যাংগোর

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৩ আগস্ট, ২০২৬,  11:21 AM

news image

দেশের অন্যতম আম উৎপাদন এলাকা নওগাঁর বেশির ভাগ বাগান আমশূন্য। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক জাতের আমের দাম ভরা মৌসুমের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। এমন মন্দা মৌসুমে বাজারে চমক দেখাচ্ছে আম্রপালি ও ব্যানানা ম্যাংগো জাতের আম। অবশ্য ভরা মৌসুমে যে ব্যানানা ম্যাংগো জাতের আম প্রতি মণ ২৫০০-৩৫০০ টাকায় বিক্রি হতো। এখন সেই আমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮-১০ হাজার টাকা মণ। এ ছাড়া ১ হাজার ৮০০-৩ হাজার টাকা দরের আম্রপালি প্রতি মণ ২০-২২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় চার থেকে পাঁচ গুণ।

গত ১৫ জুন অর্থাৎ ভরা মৌসুমে সাপাহার আমের বাজারে প্রতি মণ হিমসাগর বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ২০০-১ হাজার ৬০০ টাকা, ল্যাংড়া ৮০০-১ হাজার ৫০০ টাকা, নাকফজলি ১ হাজার ২০০-১ হাজার ৫০০ টাকা, হাঁড়িভাঙ্গা ১ হাজার ৫০০-২ হাজার ৫০০ টাকা, ব্যানানা ম্যাংগো ২ হাজার ৮০০-৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং আম্রপালি ২ হাজার-৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে। অথচ এখন বাজারে হিমসাগর, ল্যাংড়া, নাকফজলি ও হাঁড়িভাঙ্গা প্রায় নেই বললেই চলে। বর্তমানে অল্প পরিমাণে আম্রপালি, নাবি (ব্যানানা ম্যাংগো), বারি-৪, আশ্বিনা, গৌড়মতি ও কাটিমন বিক্রি হচ্ছে।

এর মধ্যে আম্রপালি প্রতি মণ ২০-২২ হাজার টাকা, ব্যানানা ম্যাংগো ৮-১০ হাজার টাকা, বারি-৪ জাতের আম ৪-৭ হাজার টাকা, কাটিমন ও গৌড়মতি ৩-৫ হাজার টাকা এবং আশ্বিনা ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে এই বাজারে প্রতিদিন প্রায় ৫-৭ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে। এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। প্রতি বছরই মৌসুমের শেষ দিকে বাগানে আম কমে যায়। সরবরাহ কমে গেলেও বাজারে ভালো মানের আমের চাহিদা থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দাম বাড়ে।

তবে এ বছর তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বেশির ভাগ জাতের আম আগেভাগেই পেকে যাওয়ায় ভরা মৌসুমে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ তৈরি হয়েছিল। তখন দাম ছিল অনেক কম। এখন সেই অতিরিক্ত সরবরাহ না থাকায় বাজার পুরোপুরি বিক্রেতানির্ভর হয়ে উঠেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, মৌসুমের শেষ সময়ে এসে চাষিরা ভালো দাম পাচ্ছেন। লেট ভ্যারাইটিজ আমের চাষ আরও সম্প্রসারণে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা মৌসুমের শেষেও লাভজনক বাজার ধরতে পারেন। সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম