ঢাকা ১৮ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুর আগে মুসলিম বিশ্বের প্রতি যে বার্তা দিয়েছিলেন লারিজানি কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি যেতে পারবে মানুষ: সড়কমন্ত্রী ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে র‍্যাবের ৩ স্তরের নিরাপত্তা ঈদুল ফিতরেও বন্ধ থাকবে আল আকসা ঈদের দিন মেট্রোরেল চলবে কি না, জানা গেল চাপ বেড়েছে যমুনা সেতু মহাসড়কে, ২৪ ঘণ্টায় আয় ৩ কোটি টাকা কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নেই : আইজিপি জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল: জামায়াত আমির

গাজায় 'বিস্ফোরক রোবট' ব্যবহার করছে ইসরায়েল, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  10:52 AM

news image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার গাজা নগরীর রাস্তায় স্থলসেনা মোতায়েনের পরিবর্তে 'দূরনিয়ন্ত্রিত ও বিস্ফোরকভর্তি রোবট' দিয়ে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের নতুন যুদ্ধকৌশলে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে। মিডল ইস্ট আই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েল গত মাসে প্রায় ১০ লাখ মানুষের গাজা নগরীতে হামলা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে বড় বড় বিস্ফোরণে শহরটি কেঁপে উঠছে প্রায় প্রতি রাতেই। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় স্থলসেনা মোতায়েনের পরিবর্তে দূরনিয়ন্ত্রিত ও বিস্ফোরকভর্তি এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) পাঠাচ্ছে। এই নতুন যুদ্ধকৌশলের কেন্দ্রে আছে দূরনিয়ন্ত্রিত যানগুলো, যা দূর থেকে নির্দিষ্ট স্থানে পাঠিয়ে তারপর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। কিছু ক্ষেত্রে এই যানগুলো রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরকভর্তি ব্যারেল ফেলে পরে একসঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যাতে পুরো এলাকার সর্বোচ্চ ক্ষতি হয়।  ফিলিস্তিনি যুবক হামজা শাবান জানান, সাধারণত রাত ১০টা বা ১১টার দিকে যখন মানুষ ঘুমাতে যায়, তখনই বিস্ফোরণ শুরু হয় আর প্রতি রাতেই এমন ৮ থেকে ১০টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এসব বিস্ফোরণ ভীষণ শক্তিশালী, যা পুরো ভবনকে গুঁড়িয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। হামজা শাবান ইসরায়েলের অনেক হামলা দেখেছেন। তিনি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের হামলার ধ্বংসযজ্ঞের সঙ্গেও পরিচিত। তবে এবারের ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘এসব রোবটের সঙ্গে কোনো কিছুরই তুলনা হয় না। এগুলো বিমান হামলার চেয়েও অনেক বেশি বিধ্বংসী।’ গাজাভিত্তিক সরকারি গণমাধ্যম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট থেকে উপত্যকার জনবহুল এলাকায় অন্তত ১০০টি বিস্ফোরক রোবট ব্যবহার করা হয়েছে। অলাভজনক সংস্থা ইউরো-মেডিটেরেনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটরের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিস্ফোরণে প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি আবাসিক ইউনিট ধ্বংস হচ্ছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি রোবটে প্রায় সাত টন পর্যন্ত প্রচণ্ড শক্তিশালী বিস্ফোরক ভরা থাকে। গাজা নগরীর উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণের এলাকাগুলোতে বেশি হচ্ছে এই রোবটগুলোর ব্যবহার। সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম