ঢাকা ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন ফুটবল দলকে ডিএনসিসি পক্ষথেকে সংবর্ধনা এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ অব্যবহৃত ২০০ ভবন হবে হাসপাতাল ও মাতৃসদন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের জনগণকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দেখাল ইরান ১৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ

খাদ্য মজুত অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে : খাদ্যমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  3:10 PM

news image

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ১ মার্চ থেকে সারাদেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে ৫০ লাখ মানুষ ১৫ টাকা হিসেবে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। রবিবার সকালে নওগাঁ শহরের আটাপট্টি ও রুবীর মোড় এলাকায় চলমান ওএমএস কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। ওএমএস কার্যক্রম কতদিন চলবে সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ওএমএস একটি চলমান কর্মসূচি। যতদিন এর চাহিদা থাকবে, ততদিন চলবে। প্রয়োজন হলে সারা বছরই চলবে। চাল দেওয়া হবে, আটাও দেওয়া হবে। মন্ত্রী জানান, এ সময়ে ওএমএস চলে না, বন্ধ থাকে। নিম্ন আয়ের জনগণ যাতে কষ্ট না পায়, তার জন্য ওএমএস চালু রাখা হয়েছে এবং আমরা ওএমএস দিয়ে যাবো।

আমাদের দেখার বিষয় জনগণ ঠিকঠাক মতো পাচ্ছে কি না, কোনো ডিলার স্মাগলিং করছে কি না এজন্য পরিদর্শন ও মনিটরিং চলবে। সরকারি গুদামে খাদ্য মজুত অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১০ লাখ টন নিরাপত্তা মজুতের বিপরীতে বর্তমান ২১ লাখ টনের অধিক মজুত আছে। সারাদেশে প্রতিদিন চাল ও আটা মিলিয়ে প্রায় ১৪-১৫ হাজার টন খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। যতদিন মানুষের চাহিদা থাকবে ততোদিন ওএমএস কার্যক্রম চালু রাখা হবে। এর পাশাপাশি খাদ্যবান্ধব অন্যান্য কর্মসূচিও চলবে। তাই আতঙ্কের কিছু নেই। দেশে কোনো খাদ্য সংকট হবে না। ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অতি মুনাফার লোভে খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে মানুষকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করবেন না। নতুন আইন হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অভিযানে রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ারী, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর হোসেনসহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওএমএস নিতে আসা নারী-পুরুষ জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের পরিমাণ কম। বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ালে তাদের সুবিধা হতো। এ সময় মন্ত্রী তাদের অসুবিধা বিবেচনার আশ্বাস দেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম