ঢাকা ২৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আসামি গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে সিলেটে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বেতন-ভাতার বাইরে রয়েছে যেসব রাষ্ট্রীয় সুবিধা চিকিৎসা নিতে ভারতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন সাজু, কলকাতায় রেবতীর শেষকৃত্য ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাকিস্তানে বাড়ছে নারী ধূমপায়ী

কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ মার্চ, ২০২৫,  12:22 PM

news image

মারিয়া নামে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া লাশ গুমের ঘটনায় তাদের প্রত্যেককে আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতরা হলেন, কেরানীগঞ্জের কামির উদ্দিনের ছেলে মো. সজিব (২৫), ফরিদপুরের হাসমত আলীর ছেলে মো. রাকিব (২৩) এবং শরীয়তপুরের মুসলিম মাতবরের ছেলে শাওন ওরফে ভ্যালকা শাওন (২৬)। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী আকবর (২২) এবং মো. রিয়াজ (২২) নামে দুইজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে, কারাগারে থাকা তিন আসামি রাকিব, রিয়াজ এবং শাওনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায় শেষে রাকিব এবং শাওনকে কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডিত সজিব পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। জানা গেছে, ২০২২ সালের ১১ জুন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পশ্চিম বামনসুর জামে মসজিদের সামনে পুকুর থেকে মারিয়া নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ মামলা দায়ের করে।  ভিকটিমের বান্ধবী বৃষ্টি আক্তারের তথ্যে আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। তারা দোষ স্বীকার করে জানায়, ভিকটিম মারিয়াকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পশ্চিম বামনসুর জামে মসজিদের পানিতে ফেলে রাখে। ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম