ঢাকা ২৪ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
রামিসা হত্যা মামলা: ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়া যাবে আজ, রোববারের মধ্যেই চার্জশিট দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাবার খনন করা সেই ‘ধরার খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে ডিজিটাল ভূমি সেবায় সচেতনতা বাড়াতে কুইজ প্রতিযোগিতা হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল আরও ১৩ শিশুর দ্রুততম সময়ে আসামিকে সাজার আওতায় আনতে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ট্রাম্প মহিষের ভিডিও শেয়ার করে প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী ঈদুল আজহা: নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

করোনার দেড় বছরে নতুন কোটিপতি ১৭২৯৩ জন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ ডিসেম্বর, ২০২১,  1:06 PM

news image

-কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন-

ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৩৯টি। এরমধ্যে শুধু করোনা সংকটের সময়ে দেড় বছরে নতুন করে কোটিপতি হয়েছেন ১৭ হাজার ২৯৩ জন। আর গত তিন মাসে নতুন কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৩২১ জন। যদিও গত এক বছরে করোনায় প্রভাবে অনেক মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। বিগত কয়েক বছরের আমানত ও ঋণ বিতরণের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন শেষে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৯৯ হাজার ৯১৮ জন। অর্থাৎ গত তিন মাসে ব্যাংক খাতে নতুন কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৩২১ জন।

২০০৯ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৪৯২ জন।  ২০২১ সালের জুন শেষে এই সংখ্যা দাড়ায় ৯৯ হাজার ৯১৮ জনে। অর্থাৎ গত ১৩ বছরে ব্যাংক ব্যবস্থায় নতুন কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৭৮ হাজার ৪২৬ জন । এরমধ্যে করোনাকালের দেড় বছরেই নতুন করে কোটিপতি হয়েছেন ১৭ হাজার ২৯৩।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের মার্চে দেশে মহামারি করোনা সংক্রমণ যখন শুরু হয়, তখন ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। এই বছরের জুনে এটি বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৯১৮টি। অর্থাৎ এই পরিমাণ অ্যাকাউন্টে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হয়েছে। যদিও গত সোয়া বছরের করোনাকালে এর কয়েকগুণ মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছে। তবে দেশে বর্তমানে কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা কত, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও পরিসংখ্যান নেই। তবে ২০১৮ সালে সম্পদশালী বৃদ্ধির হার ও ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রক্ষেপণ ধরে ওয়েলথ-এক্স’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৩ কোটি ডলার বা আড়াইশ’ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিকদের সংখ্যা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি হারে বাড়ছে। ওয়েলথ-এক্সের হিসাবে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে অতি ধনীর সংখ্যা বেড়েছে গড়ে ১৭ শতাংশ হারে। এ হার যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, ভারতসহ মোট ৭৫টি বড় অর্থনীতির দেশের চেয়ে বেশি। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পরিসংখ্যান কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করে না। বাস্তবে নতুন কোটিপতি বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এই বৃদ্ধিকে সমাজে আয় বৈষম্যের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে মনে করেন তারা। তারা বলছেন, দেশে কোটিপতির সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি গরিবের সংখ্যাও বেড়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম