ঢাকা ২২ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের জনগণকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দেখাল ইরান ১৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ বিশ্বকাপের আরও টিকিট ছাড়ছে ফিফা লাশ চুরির ভয়ে রাত জেগে সন্তানের কবর পাহারা দিচ্ছেন বাবা আগাম বন্যার শঙ্কায় দ্রুত ধান কাটার নির্দেশ পাউবোর

কচুয়ায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে কারাগারে নারী

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৭ মার্চ, ২০২৪,  12:36 PM

news image

আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধার জন্য ভাড়াটিয়া হয়ে পুরুষদের নামে ধর্ষণ মামলা করে এখন নিজেই এখন কারাগারে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালগিরি গ্রামের কোহিনুর আক্তার (৩৩)। শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে কচুয়া থানা পুলিশ তাকে চাঁদপুর আদালতে পাঠায়। এর আগে শুক্রবার বিকেলে উপজেলার পালগিরি উত্তর পাড়া বাড়ী থেকে কোহিনুরকে গ্রেপ্তার করে কচুয়া থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, পুরুষদের নামে ধর্ষণ মামলা করাই তার পেশা। এই পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ধর্ষণ মামলার বাদী কোহিনুর। মামলায় তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের স্বামী দাবী করে যৌতুক মামলা করেন। তার এমন মিথ্যা ধর্ষণ মামলার শিকার একই উপজেলার রহিমানগর এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে নাজির উল্লাহ স্বপন। এই মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এখন শ্রীঘরে কোহিনুর। এসআই মিন্টু কুমার জানান, তথ্য নিয়ে জানতে পারি কোহিনুর এর বিরুদ্ধে আগেও শাহরাস্তি থানায় ২৯০ ধারায় মামলা হয়েছে।

তিনি নাজির উল্লাহ স্বপনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলাটি আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ করেন এবং বাদী কোহিনুরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত কচুয়া থানাকে অভিযোগটি মামলা আকারে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। সে আলোকে মামলাটি থানায় গ্রহণ এবং নামীয় আসামী কোহিনুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাদী নাজির উল্লাহ স্বপন বলেন, আমার আপন ভাই বুলন এর সাথে সম্পত্তিগত বিরোধ আছে। ওই বিরোধকে আমার ভাই কাজে লাগানোর জন্য যৌন কর্মী কোহিনুর আক্তারকে দিয়ে চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলায় আমি ৩ মাস কারাভোগ করে জামিনে মুক্ত হই। এরই মধ্যে আদালত আমার ডিএনএ টেস্ট করে ধর্ষণের আলামত পায়নি। যার ফলে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি মামলাটি খারিজ করে। এরপর আমি নিজে তার বিরুদ্ধে একই আদালতে চলতি মাসের ৪ তারিখে ১৭ ধারায় অভিযোগ করি। তার এই মামলায় আমি আর্থিক, মানসিকভাবে হয়রানি ও সম্মান হানি হয়। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে অনেক পুরুষ হয়রানি থেকে রক্ষা পাবে। কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশে আমরা নাজির উল্লাহ স্বপনের মামলাটি এফআইআরভুক্ত করি। ওই মামলায় কোহিনুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে তাকে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম