ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারত নির্বাচনে মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না: রিজওয়ানা হাসান টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের উন্নতি জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীরা মুনাফেক: পার্থ বাংলাদেশের নির্বাচন নিজস্ব উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংকের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই: জামায়াত আমির যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেউ উসকানিমূলক কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে পা দেবেন না : মির্জা আব্বাস ৭ম গগণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের ১১ দফা নির্দেশনা দিলো এনটিআরসিএ

কঙ্গোতে দুই নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ১৯৩ জনের মৃত্যু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  11:05 AM

news image

বুধবার ও বৃহস্পতিবার দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একুয়েতার প্রদেশে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। দুই দুর্ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। খবর  ইনডিপেন্ডেন্টের। ডি আর কঙ্গোর মানবিক সহায়তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রদেশের লুকোলেলা এলাকায় প্রায় ৫০০ যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা আগুন ধরে উলটে যায়। মালাঞ্জে গ্রামের কাছে কঙ্গো নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই হোয়েলবোট থেকে ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এর একদিন আগে প্রদেশের বাসাঙ্কাসু এলাকায় একটি মোটরচালিত নৌকা উলটে কমপক্ষে ৮৬ জনের মৃত্যু হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী ছিলেন। এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন, যদিও সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, রাতের যাত্রায় অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করার কারণে বুধবারের দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে উভয় দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং উদ্ধার তৎপরতা চলছে কি না তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় এক নাগরিক সংগঠন দুর্ঘটনার জন্য সরকারকে দায়ী করেছে এবং দাবি করেছে যে, মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হবে। মধ্য আফ্রিকার এ দেশে নৌকাডুবির ঘটনা বাড়ছে, কারণ সড়ক যোগাযোগের সুবিধা সীমিত হওয়ায় মানুষ তুলনামূলক সস্তায় নদীপথে কাঠের নৌকায় যাতায়াত করছে। আর অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে সেগুলো দুর্ঘটনায় পড়ছে। এসব নৌযানে সাধারণত জীবন রক্ষাকারী লাইফ জ্যাকেট পাওয়া যায় না, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে বেশিরভাগ নৌযান চলে রাতের বেলা। ইনডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতে দুর্ঘটনা ঘটলে উদ্ধার অভিযান জটিল হয়ে পড়ে এবং অনেক লাশের খোঁজ পাওয়া যায় না। গত বছর অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন সরকারি কর্মকর্তারা। বলেছিলেন, যারা নৌপরিবহণের নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করবে, তাদের শাস্তি পেতে হবে। জুন মাসে কিনশাসা শহরের কাছে একটি নদীতে ২৭০ যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর ৮০ জনের বেশি মানুষ মারা যায়। তখন ওই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তবে তা উপেক্ষা করে এখনো নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই চলছে, কারণ সড়ক পথে দূরের যাত্রার খরচ পোষানো অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম