কক্সবাজারে প্যারাবন নিধন মামলায় সাতজনের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিনিধি
২৫ আগস্ট, ২০২৬, 11:03 AM
নিজস্ব প্রতিনিধি
২৫ আগস্ট, ২০২৬, 11:03 AM
কক্সবাজারে প্যারাবন নিধন মামলায় সাতজনের কারাদণ্ড
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সরকারি প্যারাবন নিধন করে চিংড়িঘের ও লবণ মাঠ তৈরি এবং অবৈধভাবে পুকুর খননের দায়ে বন বিভাগের দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় সাতজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে উপজেলার আমাবশ্যাখালী মৌজায় সরকারি প্যারাবন নিধনের অভিযোগে বন বিভাগ মহেশখালী থানায় ১৩/২৩ নম্বর মামলা দায়ের করে। এ মামলায় মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইমরান হোসেন তিন আসামিকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কক্সবাজার শহরের এন্ডারসন রোড এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে এরশাদ উল্লাহ, হোয়ানক কেরুনতলী গ্রামের ফেরদৌসের ছেলে ফিরোজ ওয়াহিদ শামীম এবং একই এলাকার মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে আমান উল্লাহ।
একই বছর বন বিভাগের দায়ের করা অপর একটি মামলায় এরশাদ উল্লাহসহ হোয়ানক মোহরাকাটা গ্রামের মহিবুল্লাহর ছেলে মো. শাহাব উদ্দিন এবং কাদের আলীর ছেলে শাহাদৎ কবিরকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড ও ১৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০২১ সালে কালারমারছড়া ইউনিয়নের কোহেলিয়া নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় পুকুর খনন করে পরিবেশের ক্ষতি করার অভিযোগে দায়ের করা ২৮৯/২১ নম্বর মামলায় শাপলাপুর এলাকার ইজ্জত আলীর ছেলে আব্দুস সালামকে ১ বছর ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাগুলো পরিচালনা করেন মহেশখালী কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক রানা। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ফিরোজ ওয়াহিদ শামীম ও শাহাদৎ কবিরকে এক মাসের মধ্যে আপিল করার শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে।