ঢাকা ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পে স্কেল কার্যকরে নতুন নির্দেশনা শিগগিরই আসছে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর ‘ঢাকার ৮ জোনে চলবে ভিন্ন রঙের অটোরিকশা’ অন্ধত্বের ঝুঁকিতে ১০ লাখ মানুষ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক ৬২ লাখ প্রবীণকে ভাতা দিচ্ছে সরকার সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে: রিজভী জাপানে হঠাৎ জোড়া ভূমিকম্প রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫২৮

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপনে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  9:12 PM

news image

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয়ভাবে উদযাপনের ব্যয় নির্বাহের জন্য ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ৬৪ জেলার প্রতিটির জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হারে এবং ৪৩২টি উপজেলার জন্য ৫০ হাজার টাকা হারে এ বরাদ্দ দেয়া হয়। সম্প্রতি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠান শাখা থেকে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস জাতীয়ভাবে উদযাপনের ব্যয় নির্বাহের জন্য ২০২২-২৩ অর্থ বছরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘অনুষ্ঠান বা উৎসবাদি খাতের বরাদ্দ থেকে জেলা ও উপজেলাগুলোর জন্য (সদর উপজেলা ছাড়া) মোট ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলো। শর্তে বলা হয়,

বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম দেখা দিলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। অব্যয়িত অর্থ ৩০ জুনের মধ্যে সমর্পণ করতে হবে এবং ব্যয় বিবরণীসহ অনুষ্ঠান সম্পাদনের প্রতিবেদন এ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এতে বলা হয়, সব জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আর্থিক বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যয়ের বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরাসরি দাখিল করে বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক অথবা জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে উত্তোলন করবেন এবং বিল ভাউচার পরবর্তী অডিটের জন্য তার কার্যালয়ে সংরক্ষণ করবেন। অনুষ্ঠান শেষে ব্যয় বিবরণীর এক সেট স্বাক্ষরিত বিল ভাউচার ও অনুষ্ঠান সংক্রান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এতে আরও বলা হয়, এ ব্যয় ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচালন কার্যক্রমের আওতায় সাধারণ কার্যক্রমাধীন অনুষ্ঠান অথবা উৎসবাদি খাতের বরাদ্দ থেকে মেটানো হবে। এতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম