ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু, প্রাথমিক লক্ষণ নিয়ে ডব্লিউএইচও’র সতর্কবার্তা পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ককটেল ফোটালেই ৫ হাজার টাকা, যোগাযোগে ভারতীয় নম্বর: ডিবি মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল, উত্তাল সাগরে ১৮ জেলে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফিলিস্তিনিদের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার কানাডার

এবার রিজার্ভ নামলো ৩৬ বিলিয়ন ডলারে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  7:51 PM

news image

ডলার সংকটে গত কয়েক বছরের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (রিজার্ভ) সর্বনিম্ন। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ নেমে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই-আগস্টের বকেয়া (১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার) পরিশোধ করায় রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ৬ বিলিয়নে নেমে আসে। গত বছরের ২৫ আগস্ট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে সা‌ড়ে ১১ বিলিয়ন ডলার। জানা গেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য অনেক বেড়ে গেছে। ফলে বিগত কয়েক মাস ধরে আমদানি ব্যয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ঠিক রাখতে গিয়ে প্রচুর ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে রিজার্ভ কমে এসেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ দিন গত ৩০ জুন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণত কোনো দেশে তিন মাসের আমদানি বিল পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা থাকলেই সেটিকে আদর্শ রিজার্ভ ধরা হয়। আমাদের বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি বিল পরিশোধ করা সম্ভব। সুতরাং রিজার্ভ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, সরকার আমদানিতে বিভিন্ন শর্ত আরোপ করেছে। এতে আমদানি কমতে শুরু করেছে। রপ্তানি আয় বাড়ছে। পাশাপাশি সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। আর করোনার পর গত দেড় বছরে জনসম্পদ রপ্তানি বেড়েছে। এর ফলে সামনে রেমিট্যান্স সংগ্রহ আরও বেড়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (ঋণপত্র) নিষ্পত্তি কমেছে ২৫ শতাংশ। আগস্টে এলসি বাবদ পরিশোধ হয়েছে ৫ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৬ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। ফেব্রুয়ারিতে ৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন, মার্চে ৭ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন, এপ্রিলে ৬ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন, মে মাসে ৭ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ও জুন মাসে ৭ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম