ঢাকা ২১ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের আগে দাম কমলো সোনার স্বাধীন বাংলার জনগণের প্রত্যাশা পূর্ণ হোক চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার জাবির হল থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা নেই, জুলাই পর্যন্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী রাজশাহীতে ট্রাকের ধাক্কায় বাবা-ছেলে নিহত বিসিএফ-এর ইফতার মাহফিলে বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার আলোচনা রুট গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ আইসিসি থেকে বড় সুখবর পেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক

একসঙ্গে সব দুর্বল ব্যাংক ঠিক করা সম্ভব নয় : গভর্নর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জানুয়ারি, ২০২৬,  12:38 PM

news image

টাকার ঘাটতি রয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, বর্তমানে একসঙ্গে সব দুর্বল ব্যাংক ঠিক করা সম্ভব নয়। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোক বক্তৃতায় গভর্নর এসব কথা বলেন। গভর্নর বলেন, কিছু খারাপ ব্যাংক ছিল; তাদের টাকা ছাপিয়ে দিতে হয়েছে। বর্তমানে টাকার ঘাটতি থাকায় এক সঙ্গে সব ব্যাংক ঠিক করা সম্ভব নয়। আগামীতে সরকারি ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে, পরে আবার বেসরকারি ব্যাংক ঠিক করা হবে। তিনি আরও বলেন, ঋণ খেলাপি শতভাগ কাভারেজ না হলে কোনো ব্যাংক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারবে না। এতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। দুর্বল ব্যাংক কোনোভাবেই ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঋণ খেলাপি ৩০ শতাংশে নামানোর এবং পরবর্তী বছরের মার্চে ২৫ শতাংশে নামানোর কাজ করছে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক ২টি রেখে বাকিগুলো সরকার মার্জ করার পরিকল্পনা করছে জানিয়ে ড. মনসুর বলেন, বাংলাদেশে ১৫ টি ব্যাংকের বেশি প্রয়োজন নেই। আগামী ২-৩ বছরে ১২-১৩টি ব্যাংক ঠিক করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজুলেশন ফার্ম করতে চায় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এজন্য ব্যাংকগুলোর অর্থায়নে একটি ফান্ড তৈরির করা হবে। এই ফান্ড গঠন করা হলে সংকটের সময় সরকারের কাছে হাত পাততে হবে না। গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকিং খাতে কোনোভাবেই যেন ব্যক্তি-কেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

দুর্বৃত্তায়ন, অনিয়ম, পরিবারতন্ত্র এবং সুশাসনের অভাবে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যা হয়ত পাচারও হয়ে থাকতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক পুরোপুরি স্বাধীন না হলেও স্বাধীনভাবে কাজ করছে। তবে ভবিষ্যতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। আগামী দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। রাজস্ব ফাঁকির প্রধান উপায় ক্যাশ, তাই দেশে ক্যাশলেস সোসাইটি করতে পারলে বছরে রাজস্ব আদায় দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা বাড়বে বলেও জানিয়েছেন গভর্নর ড. মনসুর।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম