ঢাকা ১৮ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুর আগে মুসলিম বিশ্বের প্রতি যে বার্তা দিয়েছিলেন লারিজানি কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি যেতে পারবে মানুষ: সড়কমন্ত্রী ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে র‍্যাবের ৩ স্তরের নিরাপত্তা ঈদুল ফিতরেও বন্ধ থাকবে আল আকসা ঈদের দিন মেট্রোরেল চলবে কি না, জানা গেল চাপ বেড়েছে যমুনা সেতু মহাসড়কে, ২৪ ঘণ্টায় আয় ৩ কোটি টাকা কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নেই : আইজিপি জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল: জামায়াত আমির

ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ অক্টোবর, ২০২৫,  11:06 AM

news image

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় জাভা প্রদেশে একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুল ধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ সোমবার দেশটির দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারানোদের অধিকাংশই কিশোর বয়সী ছাত্র। ইতোমধ্যে ধ্বংসস্তূপের ৮০ শতাংশ সরিয়ে ফেলেছেন উদ্ধারকর্মীরা।

এর আগে গত সপ্তাহে প্রদেশটির সিদোয়ারজো শহরের আল খোজিনি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুল ধসে পড়লে কংক্রিটের স্তূপে চাপা পড়ে শতাধিক কিশোর বয়সী ছাত্র। রাতভর উদ্ধার অভিযানে খননকারী যন্ত্রের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ সরানো হয়। উদ্ধার সংস্থার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা কমলা রঙের মরদেহ বহনের ব্যাগে মৃতদেহ সরিয়ে নিচ্ছেন।

দুর্যোগ সংস্থার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধ্বংসাবশেষের অধিকাংশ সরানো সম্ভব হয়েছে এবং এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে। আশা করা হচ্ছে, উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্কুল ভবনের ওপরের তলায় চলমান নির্মাণকাজের কারণে এর মূলভিত্তি বা ফাউন্ডেশন বাড়তি চাপ সহ্য করতে পারেনি, ফলে পুরো কাঠামো ধসে পড়ে। এতে মুহূর্তেই শতাধিক ছাত্র ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যায়।

দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়াজুড়ে প্রায় ৪২ হাজার ইসলামিক স্কুল রয়েছে। দেশটির গণপূর্তমন্ত্রী ডোডি হ্যাংগোডো জানিয়েছেন, এর মধ্যে ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির।

তবে আল খোজিনি স্কুলের নির্মাণ অনুমতি (বিল্ডিং পারমিট) ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম