ঢাকা ২০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

ইন্দুরকানীতে মাদরাসা ছাত্রের আত্মহত্যা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩০ জানুয়ারি, ২০২৩,  1:52 PM

news image

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে দাওয়াতে যেতে না দেওয়ায় মো. ইয়াসিন মৃধা (১৩) নামে এক মাদরাসার ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। রোবাবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পাড়েরহাটের টগড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ইয়াসিন মৃধা উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের টগড়া এলাকার মো. এনায়েত মৃধার ছেলে। স্থানীয় টগড়া দারুল ইসলাম কামিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেনির ছাত্র সে।  নিহতের পরিবার ও স্থানীদের জানান, রোববার বিকেলে বাড়ির পাশের আকন বাড়িতে ইয়াসিন মৃধার  আকিকার দাওায়াত ছিল। দাওয়াতে যাওয়ার জন্য ইয়াসিন মৃধা বাবার কাছে আকিকায় উপহার দেওয়ার জন্য কিছু টাকা চায়। কিন্তু বাবা এনায়েত মৃধার কাছে টাকা না থাকায় ছেলেকে টাকা দিতে পারেনি। এবং তাকে দাওয়াতে যেতে না করেন।

পরে ইয়াসিন দাওয়াতে যেতে না পেরে বাবার সঙ্গে অভিমান করে রাতে শোয়ার ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেছিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। ইয়াসিনের বাবা এনায়েত মৃধা বলেন, পাশের আকন বাড়িতে আকিকার দাওয়াত ছিল। আমার কাছে ইয়াসিন আকিকায় উপহার নেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছে। কিন্তু ওই সময় আমার কাছে টাকা না থাকায় ছেলেকে টাকা দিতে পারিনি। দাওয়াতে যেতে না পেড়ে অভিমান শোয়ার ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেছিয়ে আত্মহত্যা করে। ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এনামুল হক জানান, টগড়া গ্রামের ইয়াসিন নামের ওই মাদরাসা ছাত্রটি দাওয়াতে যেতে না পেরে বাবার সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যার করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম