ঢাকা ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ফান্ডরেইজিং উপলক্ষে এমসি ইনস্টিটিউট ফ্রান্সের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা প্রকাশ ‘অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষা’ এখন নাগরিক অধিকার: তথ্যমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ৯ ক্ষেত্রে ব্যয় কমাতে সরকারের বিশেষ নির্দেশনা জামিনে কারামুক্ত হলেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার বর্ষবরণে ইলিশের দামে রেকর্ড এলএনজি, অপরিশোধিত তেল দ্বিগুণ দামে কিনছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী রিমান্ড শেষে কারাগারে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ আগামী সপ্তাহ থেকে ভারতীয় ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬,  2:22 PM

news image

শরীয়তপুরে রোগী বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স ঢাকা যাওয়ার পথে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনায় চিকিৎসা না পেয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মৃত ব্যক্তির নাম জমশেদ আলী ঢালী (৭০)। তিনি শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কুতুবপুর এলাকার বাসিন্দা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার পালং মডেল থানায় মামলাটি করেন নিহতের নাতি জুবায়ের হোসেন রুমান ঢালী। মামলার প্রধান আসামি অ্যাম্বুলেন্স মালিক সুমন খানকে শরীয়তপুর শহর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—চালক সজিব (২৮), পারভেজ (২৬) ও হান্নান (২৫)। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার অসুস্থ অবস্থায় জমশেদ আলীকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকা নেওয়ার জন্য সাড়ে ছয় হাজার টাকায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়। তবে পরে চালক ও তার সহযোগিরা আট হাজার টাকা দাবি করেন। অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে রোগীর স্বজনদের অন্য অ্যাম্বুলেন্সে যেতে বাধা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অটোরিকশায় করে শহরের চৌরঙ্গী মোড় থেকে ঢাকাগামী আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রওনা হলে কিছুদূর যাওয়ার পর স্থানীয় কয়েকজন অ্যাম্বুলেন্সচালক ঢাকাগামী অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করে চালককে মারধর করে এবং চাবি কেড়ে নেয়। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্ব হয়। পরে ঢাকা নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসক জমশেদ আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সঙ্গে সভা করেন জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার অঙ্গীকার করে লিখিত মুচলেকা দেন অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা। জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম জানান, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্টরা। অ্যাম্বুলেন্সগুলোর কাগজপত্র যাচাই এবং নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম