ঢাকা ০৪ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁওয়ে আসামি ধরতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ও অবহেলার ক্ষেত্রে বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : পানিসম্পদমন্ত্রী দেশ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে : অর্থমন্ত্রী চকবাজারের আশিক টাওয়ারে আগুন আ.লীগের আর কোনোদিন দেশে রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থান কোনো দল বা ব্যক্তির নয়: প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য আটক চার নদ-নদীতে তীব্র ভাঙন, বন্যা নিয়ে দুঃসংবাদ জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন ১৫ শিক্ষার্থী

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৪ জুলাই, ২০২৬,  11:10 AM

news image

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অবশেষে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেন নাটোরের ৮ জন এবং বগুড়ার ৭ জনসহ মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থী। ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ ও কারিগরি ভুলের কারণে প্রথম দিনের পরীক্ষায় বসতে না পারা এই শিক্ষার্থীরা শনিবার (৪ জুলাই) থেকে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।


এদিকে, নাটোরের লালপুরে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


মন্ত্রণালয় জানায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের জন্য টাকা জমা দেয়ার পরও গত বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করায় তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসে।

 

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীর সাথে কথা বলেন এবং বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


এদিকে, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করেও কলেজ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুলের কারণে পরীক্ষা দিতে না পারা একজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ মন্ত্রীর কাছে পৌঁছায়। এর পাশাপাশি, বগুড়ার মহাস্থানগড়ের আরও ৬ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি বলে মন্ত্রীর নজরে আসে।


শিক্ষামন্ত্রী তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে বলেন। মন্ত্রীর নির্দেশে বগুড়ার ওই ৭ জন শিক্ষার্থীরও ফরম পূরণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তারাও থেকে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম